December 2019
লিনা খানের কোরিওগ্রাফিতে অনুষ্ঠিত হলো ভিইট বাংলাদেশ টেন ইয়ার ফ্যাশন শো। সম্প্রতি লা মেরিডিয়ান হোটেল ঢাকায় অনুষ্ঠিত জমকালো সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় র‌্যাম্প মডেলদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত ফ্যাশন শোটি।

এতে অংশ নেয় মডেল ইমা, মাসিয়াত, তানিয়া, এভ্রিল, মাহি, এমা, অন্তরা, রিতা, জান্নাত, জয়শ্রী, মেঘসহ অনেকে। এ ছাড়াও আরও অংশ নেয় লিনা‘স গ্রুমিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা। ইভেন্ট অরগানাইজার হিসেবে ছিল র‌্যাভেন ম্যাডভার্টাইজিং।

ফ্যাশন শোর আলোকচিত্রী ছিলেন সামির খান বিল্লাল, মেকওভারে ছিলেন প্রীতি লেডি বিউটি সেলুন বাই সোনিয়া খান, শাড়ির ডিজাইনার হিসেবে ছিলেন সাফিয়া সাথি, ডিজাইনার ছিলেন রাজ্য রাজ, ওয়্যারড্রবে ছিল আরবান যুভা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেএমইএ এর প্রেসিডেন্ট রুবানা হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান অ্যাম্বাসেডর এইচই পিটার, সম্মানিত অতিথি ছিলেন ইন্টারফ্যাব শার্টস ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আহসান কবির খান, এনার্জিপ্যাক ফ্যাশন লিমিটেডের কর্পোরেট ডিরেক্টর এবং সিইও হুমায়ুন রশিদ, ভিইট গ্রুপের প্রেসিডেন্ট গুন্টার ভিইট।

কোরিওগ্রাফার লিনা খান বলেন, ভিইট বাংলাদেশ এটি দেশের জনপ্রিয় একটি প্রতিষ্ঠান। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

এখানে যারা আমার সঙ্গে কাজ করেছেন মডেল, ডিজাইনার, মেকআপ আর্টিস্ট সবাই অনেক সহযোগিতা করেছে। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ইভেন্ট অরগানাইজার ছিল র‌্যাভেন। তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ; আমাকে এমন ইভেন্টে যুক্ত করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, আগামীতে আরও অনেক শোর কোরিওগ্রাফার হিসেবে আমাকে হয়তো দেখা যাবে। অনেক বড় বড় শো নিয়ে পরিকল্পনা চলছে। আশা করছি ভালো ভালো শো নিয়ে কাজ কাজ করব আমরা।

এই মাসেই কয়েকটি ফ্যাশন শোর কোরিওগ্রাফি করেছি। ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাশন উইক, ভারগো গ্র্যান্ড ওপেনিংসহ কয়েকটি কাজ করা হয়েছে। আর আমি একটি বিষয় যুক্ত করতে চাই।

এই ফ্যাশন শোতে দেশের নাম করা মডেলদের সঙ্গে ছিল লিনা‘স গ্রুমিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা। যারা কিনা নতুন মডেল। তারাও অংশ নিয়েছে ফ্যাশনতে। লিনা‘স গ্রুমিং স্কুলে যারা ভালো করছে তাদের কাজ করার সুযোগ দিচ্ছি আমরা, তারা সুযোগও পাচ্ছে।
অনেক সময় দেখা যায়, বাজার থেকে ডিম কিনে আনার পর পচা বের হয়। তবে ডিম না পাঠিয়ে যদি পচা ডিম চেনা যায়, তবে মন্দ কি।

দোকান থেকে ডিম কিনে আনলেন। তার পর সিদ্ধ করে ডিমের কারি বা কষা কিছু একটা বানিয়েও ফেললেন। তার পর খেতে গিয়েই যত বিপত্তি বাধল! দেখলেন বা দুর্গন্ধ থেকে বুঝলেন, দু-একটা ডিম পচা। ব্যস, পুরো পরিশ্রমটাই মাটি! কিন্তু ডিম না ফাটিয়ে বোঝার উপায় কি যে সেটি পচা না ভালো! উপায় আছে– ডিম না ফাটিয়েও সহজেই দু-একটা ছোট্ট পরীক্ষা করে বুঝে নেয়া সম্ভব যে, কোন ডিমটি পচা আর কোনটি ভালো।

তবে পচা ডিম চেনার কিছু কৌশল রয়েছে। ডিম না ফাটিয়েও সহজেই দু-একটা ছোট্ট পরীক্ষা করে পচা ডিম চিনে নেয়া যায়।

আসুন জেনে নিই যেভাবে চিনবেন পচা ডিম- ১. বালতি ভর্তি পানির মধ্যে ডিমগুলো ডুবিয়ে দিন। যদি ডিমগুলো ডুবে থাকে, তা হলে বুঝবেন যে সেগুলো ভালো। আর যদি ডিমগুলো ভেসে ওঠে, তো জানবেন সেগুলো পচা।

২. কানের কাছে একটি একটি করে ডিম নিয়ে আলতো করে ঝাঁকান। যে ডিমগুলোর থেকে বেশি আওয়াজ আসবে, জানবেন সেগুলো পচা। ব্যস, ছোট্ট এই পরীক্ষার মাধ্যমে আগাভাগেই চিনে নিন পচা ডিম।
প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও ছেলেমেয়েদের স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বলিউড তারকা শাহরুখ-গৌরী এবং ঐশ্বরিয়া-অভিষেকরা।

শনিবার ঐশ্বরিয়ার মেয়ে আরাধ্যার স্কুলে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর সেকারণেই সকাল সকাল মেয়েকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে স্কুলে এসে হাজির হলেন মা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। শুধু আরাধ্যাই নয়। ওই একই স্কুলে পড়ে শাহরুখপুত্র আবরাম খানও। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে এদিন আবরামকে নিয়ে হাজির হন শাহরুখ-গৌরী।

এদিন আরাধ্যার সাজগোজ ছিল অন্যরকম। তার পরনে ছিল লাল-সবুজ শাড়ি ও হলুদ ব্লাউজ। মাথায় সাদা ফুল, চোখে কাজল, ঠোঁটে লিপস্টিক, কপালে লাল টিপ। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল কোনো পারফর্ম করতে যাচ্ছে সে। মায়ের হাত ধরে স্কুলে প্রবেশ করে ৮ বছর বয়সী আরাধ্যা। আর ঐশ্বরিয়ার পরনে ছিল গোলাপি রঙের সালোয়ার কামিজ। তবে শুধু ঐশ্বরিয়াই নন, এদিন নাতনির পারফরম্যান্স দেখতে হাজির হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চনও এবং ঐশ্বরিয়ার মা বৃন্দা রাই। হাজির হন ফুফু শ্বেতা বচ্চন নন্দা।

অন্যদিকে, ছোট্ট আবরামকে সঙ্গে নিয়ে ওই একই স্কুলে হাজির হন শাহরুখ খান ও গৌরী খান। এদিন আবরামের মুখে মেকআপ, ঠোঁটে লিপস্টিক দেখে বেশ বোঝা যায়, স্কুলের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে চলেছে সেও। এদিন আবরামকে নিয়ে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার সামনে পোজও দেন বলিউডের ‘কিং খান’।
সংগীত বিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া মাঈনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে এবার গান চুরির অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে ‘দেশ’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করেন তিনি। যেখানে গানটির কথা ও সুর নিজের বলে দাবি করেন নোবেল।

কিন্তু এই গানকে চুরি করা আখ্যা দিয়ে নোবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে ব্যান্ডদল ‘অ্যাবাউট ডার্ক।’ ফেসবুকে ব্যান্ডদলটির গিটারিস্ট ও গানটির লেখক নাসির অভিযোগ তোলার পর তাকে পাত্তাই দিচ্ছিলেন না নোবেল। কমেন্ট ব্যান করে তার অ্যাকাউন্টকে ব্যান করে নোবেলের পেইজ। পরে নিরুপায় হয়ে ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব থেকে গানটি সরিয়ে ফেলেন নোবেল।

নোবেলের বিরুদ্ধে ওই ব্যান্ড সদস্যের অভিযোগ, ''নোবেলের প্রকাশিত 'দেশ' নামের একটি গানটির কথা ও সুরে হুবহু মিল রয়েছে ব্যান্ড 'অ্যাবাউট ডার্ক'-এর গান 'তুমি'র সঙ্গে। চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি গানটি প্রকাশ করে 'অ্যাবাউট ডার্ক'।'' 'অ্যাবাউট ডার্ক' এর ভোকাল ১৯ ডিসেম্বর রাতে ফেসবুকে এ বিষয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। যেখানে তিনি 'অ্যাবাউট ডার্ক' এর অরিজিনাল গানটির ইউটিউব লিংক দেন। উল্লেখ্য, সংগীত জীবনের শুরু থেকে একাধিকবার সমালোচিত হয়েছেন মাঈনুল আহসান নোবেল। তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্কেও জড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথিত প্রেমিকা কর্তৃক নিজের আপত্তিকর ছবি প্রকাশের পর থেকে আলোচনায় না থাকলেও সম্প্রতি গান চুরির অভিযোগে আবারও নতুন করে আলোচনায় আসলেন তিনি।
একসঙ্গে অভিনয় করলেন মডেল-অভিনেতা জোভান আহমেদ ও তার মা সোহেলি আহমেদ শিখা। তাদের দেখা যাবে ‘কাতান শাড়ি’ শিরোনামের একটি নাটকে। বুধবার তারা এটির শুটিং শেষ করেন। নাটকটি নিয়ে মা-ছেলে দুজন বেশ উচ্ছ্বসিত।

এই নাটকের মধ্যদিয়ে সোহেলি আহমেদ শিখা প্রথমবারের মতো ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন। এতে জোভানের বিপরীতে থাকছেন জাকিয়া বারী মম। এটি নির্মাণ করেছেন সরদার রোকন। নাটকটি ২৭শে ডিসেম্বর আরটিভিতে প্রচার হবে।
দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় বইলেও এখনও চুপ রয়েছেন বলিউডের তিন অভিনেতা শাহরুখ খান, সালমান খান ও আমির খান।

 এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি তারা। কোনো টুইট বা স্ট্যাটাসও দেননি। টুইটারে অনেকেই শাহরুখ খান, আমির খান ও সালমান খানকে ট্যাগ করে শিক্ষার্থীদের ওপর অমানবিক হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলেছেন। শ্রীবাস্তব নামে একজন লিখেছেন, শাহরুখ খান এখানকার প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

স্বাধীনতাসংগ্রাম যারা করেছেন, সেই মওলানা আজাদের পরিবারের সদস্য আমির খান। সালমান খান বিয়িং হিউম্যানের উদ্যোক্তা। আর যখন আপনাদের কণ্ঠস্বর জরুরি হয়ে পড়ে, তখন কেন আপনারা কথা বলেন না? কীসের ভয় আপনাদের? আমান ওয়াদুদ নামের এক ব্যক্তি শাহরুখ খানকে ট্যাগ করে লিখেছেন, আপনি তো জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

শিক্ষার্থীরা কী নৃশংসভাবে মার খেল। এত বড় একটা ঘটনায় আপনি কীভাবে চুপ আছেন? শাহরুখের এই নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জনপ্রিয় রেডিও জকি রোশন আব্বাসও। কিং খানের উদ্দেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় রোশন প্রশ্ন রেছেছেন। তিনি বলেন, আপনিতে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তবে চুপ কেন আপনি?

বাঁচতে হলে জানতে হবে আর জানতে হলে পড়তে হবে” কয়েকটি শব্দ নিয়ে গঠিত বাস্তবসম্মত অসাধারণ এই বাক্যটি অনেকবার শুনেছেন নিশ্চয়ই। কিন্তু একটু মজা বা পন্ডিতি করে যদি বলি – “বাঁচতে হলে জানতে হবে আর জানতে হলে গুগল করতে হবে” তাহলে মনে হয় খুব একটা দোষের কিছু হবে না। পরিমার্জিত বাক্যটি শুনতে বা দেখতে একটু হাস্যকর লাগলেও বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে এর বাস্তবতা সত্যিই অসহ্য রকমের সুন্দর।

 
কেননা বর্তমান সময়ে গুগল ছাড়া কেন জানি আমরা কোনকিছুই কল্পনা করতে পারি না। তেমনি গুগলের অসাধারণ একটি সফটওয়্যার বা টুলস হচ্ছে গুগল ম্যাপস। চমৎকারিত্বে ভরপুর এই সফটওয়্যারটি আপনার জীবনকে আরো সহজ করে তুলতে সাহায্য করবে নানাভাবে। তাহলে দেরি না করে চলুন, গুগলের সাধারণ এই টুলসটির অসাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে নেয়া যাক।

👉যেকোনো জায়গার দূরত্ব জেনে নিন গুগল ম্যাপেই

আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় – রংপুর থেকে সিলেটের দূরত্ব কত? প্রশ্নটি একটু বিব্রতকর হলেও মাঝে মাঝে কিন্তু আমাদের জানর প্রয়োজন পড়ে এসব দূরত্ব জানার। কিন্তু আপনি একজন সাধারণ মানুষ হয়ে কিভাবে জানবেন এসব রাস্তার দূরত্বের খবর। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আপনার লোকেশন বা অবস্থান থেকে আপনি বাংলাদেশের এমনকি পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের দূরত্ব জানতে পারবেন নিমিষেই। কি ভাবতে অবাক লাগছে! মূলত দূরত্ব মাপার এই কাজটি আপনি সহজেই করতে পারেন গুগল ম্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে। আর এর জন্য গুগল ম্যাপের সার্চ বক্সে নির্দিষ্ট জায়গার নাম লিখে “Direction” এ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন আপনার অবস্থান থেকে নির্ধারিত জায়গার দূরত্ব।

এছাড়াও নির্দিষ্ট স্থানে ড্রপ পিন হোল্ড করলে বেশ কিছু অপশন পাবেন এখান থেকে “Measure Distance” এ ক্লিক করলেও পেয়ে যাবেন নির্ধারিত দূরত্ব। 


👉গুগল ম্যাপেই দেখে নিন আপনার পছন্দরে সব রেস্তোরাঁর খবরাখবর

ভোজনরসিক মানুষদের রেস্তোরাঁর মনোরম পরিবেশে দেশি বিদেশি বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেওয়া একরকমের আনন্দ অথবা ঐতিহ্য। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষকরে জ্যামের ঢাকা শহরে ভালোমানের রেস্তোরাঁ খুঁজে পাওয়া একটু কষ্টকর। আর কঠিন এই কাজটুকু সহজ করে দিয়েছে গুগল ম্যাপ। কেননা গুগল ম্যাপের সাহায্য আপনি বিখ্যাত সব রেষ্টুরেন্টের সকল তথ্য পেয়ে যাবেন খুব সহজে। আর এর জন্য গুগল ম্যাপের সার্চ বক্সে নির্ধারিত রেস্টুরেন্টটির নাম লিখে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন রেস্তোরাঁটি সম্পর্কিত সকল তথ্য।

এছাড়াও ম্যাপে আপনি যে লোকেশন বা অবস্থানে আছেন তার আশেপাশে খেয়াল করলে দেখবেন বিভিন্ন রেস্তোরাঁ সেখান থেকেও বেঁছে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের রেষ্টুরেন্টটি। আরো মজার একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সরাসরি ম্যাপ থেকে আপনি রিভিউ দেখতে পারবেন যা আপনাকে নির্দিষ্ট করে একটি রেস্তোরাঁ পছন্দ করতে অনেকখানি সাহায্য করবে।

👉লোকেশন শেয়ারের মাধ্যমে নিরাপদে রাখুন নিজেকে

ধরুণ অপরিচিত কোনো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আপনারা কয়েক জন বন্ধু মিলে ঘুঁড়তে গেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে খেয়াল করে দেখলেন আপনার বন্ধুরা কেউ আপনার আশেপাশে নেই, হারিয়ে ফেলেছেন সবাইকে এমনকি মোবাইলেও পাচ্ছেন না কাউকে। এখন কি করবেন, কত ঝামেলার না বিষয়টা! অপরিচিত একটা জায়গায় সব বন্ধুদের সাথে পূণরায় এখন মিট বা সাক্ষাত করবেন কি করে? এরকম বিব্রতকর অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন গুগল ম্যাপের “Share your location in real time” নামক ফিচারটি।

এর জন্য আপনাকে গুগল ম্যাপের মেনুবার থেকে Location Sharing অপশনে ক্লিক করে টাইম ডিউরেশন সিলেক্ট করে আপনার পছন্দমতো যাকে যাকে শেয়ার করতে চান গুগল কনট্যাক্ট লিস্ট থেকে তাদের সিলেক্ট করলেই উপভোগ করতে পারবেন লোকেশন শেয়ারিংয়ের অসাধারণ এক অনুভুতি।

👉ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই গুগল ম্যাপ

ভ্রমনপিপাসু সকলের এডভেঞ্চারাস কিংবা দুঃসাহসিক ভ্রমণ করতে কতই না মজা লাগে। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন কি? ভয়ানক সুন্দর এই দুঃসাহসিক ভ্রমনগুলো কতটা বিপদে ফলেতে পারে। যেমন আপনি আফ্রিকার অ্যামাজন জঙ্গলে বেড়াতে গেছেন। ঘুরতে ঘুরতে নিজেকে আবিষ্কার করলেন এক ভয়ংকর জায়গায় এমনকি এখান থেকে আপনি কোনদিকে যাবেন বুঝতে পারছেন। হঠাত মনে পড়ে গেল গুগল ম্যাপের কথা কিন্তু ম্যাপ বের করেই আপনি চমকে উঠলেন! কারণ আপনার লোকেশনে কোন প্রকার নেটওয়ার্ক সংযোগ নাই। এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে কি করবেন তাহলে? মজার বিষয় গুগল কতৃপক্ষ একম পরিস্থিতির সমাধান দিয়েছেন খুব সুন্দর করে।

এজন্য আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ম্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে তাহলেই ঐ নির্ধারিত স্থানের রাস্তাঘাট সহ বিস্তারিত সব জানতে পারবেন কোনরকম ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই।

👉গুগল ম্যাপেই জেনে নিন ট্রাফিক আপডেট

ঢাকার মতো যানজট পূর্ণ শহরে আগে থেকেই যদি জানা যেতো কোন রাস্তায় কি রকম জ্যাম তথা যানজট তাহলে সবার চলমান কর্মময় জীবন ব্যবস্থাটা হয়তো একটু উন্নত হতো সময় বাঁচার মাধ্যমে। গুগল ম্যাপের “লাইভ ট্রাফিক আপডেট” ফিচারটি ২০০৭ সাল থেকে পৃথিবীর উন্নত দেশেগুলোতে চালু থাকলেও আমাদের দেশ তথা বাংলাদেশে সম্প্রতি চালু হয়েছে এই সেবাটি। যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন যানযটের তাৎক্ষণিক সব খবরাখবর।সেবাটি পেতে মেনুবার থেকে ট্রাফিক অবশনে ক্লিক করলেই চালু হয়ে যাবে অভিনব এই সেবাটি।

ট্রাফিক অপশনটি চালু হলে ম্যাপে রাস্তার ওপরে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রং দেখতে পাবেন। সবুজ রঙের অর্থ হলো সে রাস্তায় এখন জ্যাম নেই। কমলা রঙের অর্থ মাঝারি জ্যাম আর লাল রঙ দেখা গেলে বুঝে নিতে হবে অনেক বেশি যানজট, সে রাস্তায় না যাওয়াই উত্তম!

👉গুগল ম্যাপে অসম্ভব কিছু

আপনাকে যদি বলা হয়, বলুন তো ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি আপনি কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন। দিনটি যদি আপনার জন্য বিশেষ কোনো দিন না হয় তাহলে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া প্রায় অসম্ভব। কিন্তু আপনি কি জানেন? এই অসম্ভব কাজটি খুব সহজে করা যায় গুগল ম্যাপের মাধ্যমে। চমৎকার এই সেবাটি পেতে মেনুবার থেকে “Your Timeline” অবশনে ক্লিক করে নির্দিষ্ট তারিখ সিলেক্ট করলেই দেখতে পারবেন ঐ দিনে আপনি কোথায় কোথায় এমনকি কিভাবে যেমন বাসে, হেঁটে না গাড়ি চালিয়ে গেছেন সেটাও জানতে পারবেন।

👉অন্যান্য

উপরের প্রধান ফিচার বা বৈশিষ্ট্যগুলো ছাড়াও বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যেমন কোন জায়গায় জাওয়ার জন্য শর্টেস্ট রুট বা সহজ পথ দেখার সুযোগ, সহজে জুম করা সহ আরো বেশ কিছু ফিচার। এছাড়াও চালকবিহীন গাড়ির তো পুরোপুরি নির্ভর করে গুগল ম্যাপের উপর। তাই এসব চমৎকার বৈশিষ্ট্যর প্রকৃত অনুভুতি নিতে দেরি না করে শুরু করে দিন গুগল ম্যাপের ব্যবহার।

বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সম্পর্কে কমবেশি সবাই জানি। যার উচ্চতা ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার এবং ২৯ হাজার ৩০ ফুট। ১৯৫৩ সালের ২৯ মে নেপালি পর্বতারোহী তেনজিং নোরগে ও নিউজিল্যান্ডের এডমন্ড হিলারি সর্বপ্রথম এই দূর্গম শৃঙ্গটি জয় করেন।



এসব পরিচিত তথ্যের ভীড়ে এভারেস্টের রয়েছে কিছু বিচিত্র ইতিহাস। জেনে নেয়া যাক সেসব বিচিত্র তথ্য সম্পর্কে-

👉 হাওয়াই দ্বীপের মনা কিয়া আগ্নেয়গিরির প্রকৃত উচ্চতা ৩৩ হাজার ফুট। এভারেস্টের চেয়েও অনেকটা বেশি। হিসাব অনুযায়ী পৃথিবীর উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ হওয়া উচিত মনা কিয়ার। কিন্তু এই পর্বতের অনেকটা অংশ অবস্থান করছে সাগরের গভীরে। পর্বতটির মাত্র ১৩ হাজার ৭৯৬ ফুট অংশ পানির উপরে বিদ্যমান বাকিটা সমুদ্রতলে। তাই এভারেস্টের চেয়ে বড় হয়েও মনা কিয়া পায়নি উচ্চতম শৃঙ্গের মর্যাদা!

👉 তেনজিং ও হিলারির আগেই একজন এভারেস্ট জয় করে থাকতে পারেন বলে অনেকের অভিমত। সেই ব্যক্তিটির নাম জর্জ ম্যালোরি। পেশায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন এই ব্রিটিশ নাগরিক। ১৯২১ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত প্রথম তিনটি আনুষ্ঠানিক এভারেস্ট বিজয় যাত্রায় অংশ নেন তিনি। বলা বাহুল্য, তিনটি অভিযানই ব্যর্থ হয়। কিন্তু জর্জ ছিলেন নাছোড়বান্দা। তিনি বলতেন, এই পর্বতের চূড়ায় আমার পা পড়বে না। এ কথা অচিন্তনীয়। 


চতুর্থ অভিযানের সময় এক সহযাত্রী মাত্র ৯০০ ফুট বাকি থাকতে ফিরে আসলেও জর্জ তখনো আশাবাদী। তিনি আরেক সহযাত্রী অ্যান্ড্রু আরভিনকে নিয়ে ১৯২৪ সালের ৮ জুন সকালে ২৬ হাজার ৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ৬ নম্বর ক্যাম্প থেকে রওনা হন। শেষবার তাঁদের দেখা যায় ওইদিন দুপুরে, চূড়ায় পৌছানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি। 

তবে অনেকের বিশ্বাস, তারা শেষ পর্যন্ত পেরেছিলেন এভারেস্ট বিজয় করতে। তবে ফেরার পথে মারা যান। ১৯৯৯ সালে দীর্ঘ ৭৫ বছর পরে জর্জ ম্যালোরির কঙ্কাল খুঁজে পাওয়া যায়, তবে তাঁর কাছে থাকা ক্যামেরাটি না পাওয়ায় আসল ঘটনা জানা সম্ভব হয়নি। আরভিনের কোনো পাত্তা আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

👉 এভারেস্ট জয়ের ঠিক আগের বছর তেনজিং নোরগে চূড়ার মাত্র ৮০০ ফুট থেকে নিচ ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। ওটাই ছিলো তখন পর্যন্ত এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে পাড়ি দেয়া সর্বাধিক উচ্চতা। পরের বছর নিজের রেকর্ড ভেঙ্গে পুরো এভারেস্ট ডিঙাতে সক্ষম হন তেনজিং। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত চার সহস্রাধিক পর্বতারোহী এভারেস্ট বিজয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

👉 এডমন্ড হিলারির পুত্র পিটার হিলারি ও তেনজিং নোরগের পুত্র জামলিং তেনজিং নোরগে উভয়েই তাদের বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে পরবর্তী সময়ে এভারেস্ট জয় করেছেন।

👉 এভারেস্টে উঠতে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ২৪০ জন প্রাণ দিয়েছেন। তুষারঝড়, হিমানী-সম্প্রপাত, পিচ্ছিল পাথর, অতি শীতল তাপমাত্রা, অতিরিক্ত উচ্চতা, প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাব ইত্যাদিই মৃত্যুর কারণ। 


বিশেষ করে, ২৬ হাজার ফুটের পর থেকে পরিস্থিতি হয় সবচেয়ে বিপজ্জনক। সেই স্থানকে বলা হয় 'ডেথ জোন'। ডেথ জোনে কেউ মারা গেলে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনা হয় না। কেননা পথ এতটাই বিপদসঙ্কুল যে বাড়তি কাউকে বয়ে নেয়া হতে পারে নিজের জন্য হুমকি। মৃতদেহগুলো বরফের মধ্যে ভালোভাবেই সংরক্ষিত থাকে এবং পরবর্তী অভিযাত্রীদের জন্য নিশানা হিসেবে কাজ করে। 

১৯৯৬ সালের মে মাসের একদিন প্রবল তুষার ঝড়ের মধ্যে এভারেস্টে উঠতে থাকা আট অভিযাত্রী মারা যান। ওই দিনটি ছিলো এভারেস্টের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। জন ক্রকারের বই 'ইনটু থিন এয়ার' এ সেদিনকার ঘটনা বেশ ভালোভাবে বর্ণিত আছে। 

যদিও এতসব মৃত্যু অভিযাত্রীদের এভারেস্ট জয়ের মিছিলকে থামাতে পারেনি, প্রতিবছর হাজারো সাহসী এভারেস্ট জয়ের নেশায় জমা হন এর পাদদেশে। 
নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ২৩৯জন যাত্রীকে নিয়ে এমএইচ ৩৭০-এর খোঁজ করতে গিয়ে উঠে আসে এক চমক৷ জলের নিচের এক নতুন দুনিয়া যেন উঠে এল প্রকাশ্যে৷ যেখানে আগ্নেয়গিরি থেকে গভীর উপত্যকা রয়েছে চোখের আড়ালে৷ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি নকশা থেকে সমগ্র বিষয়টি উঠে এসেছে৷ যদিও দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে তল্লাশি অভিযানের সময় মালেশিয়ার এই বিমানের কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি বলেই খবর৷


এই অনুসন্ধান ব্যয়সাপেক্ষ ছিল৷ এই নয়া বিশ্বকে আরও জানতে প্রয়োজন আরও ছবি এবং আরও তথ্য৷ বিজ্ঞানীদের মতে, এইসব প্রাপ্ত নকশা থেকে সমুদ্রের নিচের এই পৃথিবী সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানা যাবে৷



জিওয়ায়েন্স অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে স্টুয়ার্ট মিনচিন জানিয়েছেন, অনুমান করা হচ্ছে নিখোঁজ বিমানের সন্ধান করতে গিয়ে বিশ্বের সামুদ্রিক অংশের মাত্র ১০-১৫শতাংশেই খোঁজ চালানো হয়েছে৷ 


তিনি আরও জানান, এইসব তথ্য এবং নকশা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় কাজে আসবে৷